Silent Screams: Post Traumatic Stress Disorder


Tamanna Hossain

We live in a culture where sexual violence is only addressed obscurely, through so many layers of euphemisms that one is hard pressed to convey any useful information at all. However, while we’re nursing our delicate sensibilities there are real people being abused across the country, silently suffering, without a platform to seek help, a means to understand what is happening to them, or any guidance as to how to heal.It is time to break the silence.


Survivors of rape or sexual assault have had their personal space profoundly violated, which often leaves them feeling helpless, not entitled to their own bodies or their own lives.

Today we will start by speaking out about Post Traumatic Stress Disorder or PTSD, a common, often debilitating, anxiety disorder that many trauma survivors suffer from. Due to the stigma attached to both sexual assault and psychotherapy in Bangladesh, PTSD often goes undiagnosed and untreated. To make matters worse, survivors who suffer from PTSD often face the additional trauma of being mislabeled as “weak” or “hysteric”.

What is PTSD?

PTSD is an anxiety disorder many people develop after surviving a traumatic event, such as, rape, torture, war, or a natural disaster.

When faced with danger the body undergoes many biochemical changes to protect itself through a fight-or-flight response. Ideally, the body should revert back to a neutral state once the danger passes. However, this does not happen for trauma survivors with PTSD. They continue to be frightened, stressed, and hyper-aroused even when there is no longer any danger. Untreated, their condition may persist for years, decades, or even a lifetime.

What are the symptoms of PTSD?

–          Re-experiencing: Survivors with PTSD often re-experience the traumatic event through flashbacks and nightmares. Flashbacks are usually triggered by reminders of the assault, such as, the smell of their rapist’ cologne, rape jokes, sexually violent scenes on TV etc.

–          Panic attacks: Reminders of the trauma often trigger panic attacks in survivors. These are episodes of intense anxiety characterized by hyper-ventilation, trembling, nausea, sweating, dizziness, light headedness, or chest pain. Re-experiencing and panic attacks often occur together.

 –          Avoidance: Survivors often stay away from triggering places, objects, or people, feel emotionally numb, disassociate from their surroundings, distance themselves from friends, lose interest in activities they found enjoyable in the past, or have trouble remembering details of their trauma.

 –          Hyper-arousal: Survivors with PTSD usually exhibit symptoms of hyper-arousal, or being in a state of constant vigilance. This is characterized by being easily startled, always feeling stressed, havingregular headaches, suffering from insomnia, sudden weeping, or having angry outbursts. Being in a state of perpetual hyper-arousal can significantly change the survivor’s lifestyle, personality, and relationships with people in their lives.

How can you help someone with PTSD?

Given the patriarchal nature of Bangladeshi society, survivors with PTSD are not only denied treatment but are also faced with secondary traumas, such as, victim-blaming and slut-shaming, which exacerbate their condition. As a friend or relative of a sexual assault survivor you can buffer them from these harmful societal values and guide them towards recovery in the following ways,

–          Encourage them to seek psychiatric help. Professional therapy coupled with medication can go a long way to assuage the effects of PTSD.

–          Listen. Survivors with PTSD  need sympathetic ears since they have to re-experience their trauma on a regular basis via flashbacks and nightmares. However, do not force them to talk. Offer yourself as a compassionate resource, remind them intermittently that you are available, but wait for them to come to you on their own terms.

–          Do not judge. Most survivors of sexual assault suffer from a lot of guilt and shame, which hinder their recovery. It is important that you do not add to this in anyway. In fact, you should actively work to dissipate their guilt by assuring them that, irrespective of what society says, they are not to blame for the assault on them. The full responsibility of sexual assault is always on the perpetrator; even if it is someone they have been sexually involved in the past.

–          During panic attacks, try to give them physical space (unless explicitly told otherwise), so as to not further trigger a reliving of the experience through touch. Offer them cold water, encourage them to take steady breaths and, most importantly, listen. Let them cry, let them talk, let them yell. Wait to give advice till after the attack passes.

–          Help them regain control. Survivors of rape or sexual assault have had their personal space profoundly violated, which often leaves them feeling helpless, not entitled to their own bodies or their own lives. Offer advice, give suggestions, guide them towards healing in the way you think best, but always assure them that, ultimately, what they choose to do is up to them.

This post merely scratches the surface of what Post Traumatic Stress is and how it can be treated but I hope it helps someone somewhere help a loved one who has been hurt. There will be many more posts in the future regarding rape, its ramifications, how it is systematically perpetuated, and what we can do to help. The silence ends here!

Tamanna graduated from Lawrence University with a degree in Mathematics and Philosophy. She is the former president of the Lawrence University chapter of V-Day and is a lifetime member of Kappa Alpha Theta. Tamanna can be contacted at


জয় হোক উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি জয় হোক নারীবাদ-এর


নাহিদ সুলতানা

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী সারা পৃথিবীর প্রতি ৩ জন নারীর মধ্যে ১ জন নারী ধর্ষণ বা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে। যার পরিমাণ পৃথিবীতে বসবাসরত শতকোটি নারীর চাইতেও বেশী। বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় ৪০জন নারী কোননা কোনভাবে সংহিতার শিকার হচ্ছে । (বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী) ।যার মধ্যে এসিড নিক্ষেপ, অপহরণ, ধর্ষণ, ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা, পাচার, খুন, যৌতুকের জন্য নির্যাতন, পারিবারিক নির্যাতন, ইভ-টিজ, কন্যা শিশুর প্রতি অবহেলা, বাল্য বিবাহ, কন্যা ভ্রণ হত্যা, নারীশ্রমিকের মজুরি বৈষম্য, নারী-পুরুষের বৈষম্যমূলক অবস্থানসহ আরো বহুধরণের মানসিক ও পাশবিক নির্যাতন অন্যতম। যেহেতু বাংলাদেশে বেশীরভাগ নারী নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়না, সেহেতু প্রকৃত সংখ্যাটি জানা এখনো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

আমার মনে হয় শুধু আমাদের দেশ কেন ?পৃথিবীর যেকোন দেশে ‘‘নারী নির্যাতন”বিষয়টি অতি পরিচিত। সামাজিক আন্দোলন ও নারী আন্দোলনের সাথে যারা যুক্ত, তারা যুগ যুগ ধরে এই নির্যাতন রোধে কাজ করে আসছেন। কোথায়, কিভাবে, আর কেন, এই নারী নির্যাতন হচ্ছে তা বুঝতে চাওয়া হয়েছে। অনুশাসন-নিয়ম-সংস্কার, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা, সতীদাহ-বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, যৌতুক-পণপ্রথা, শিক্ষার অধিকারহীনতা, নারী স্বাধীনতা রোধ -এইসব হীন উপায়ে নারী দমণ ও পীড়ণ হযে আসছে। দিনে দিনে আজ আমরা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছি, সেখানে নারীর কিছুকিছু অধিকার অর্জিত হলেও সবাই তা ভোগ করতে পারছেনা। সাধারণ মানুষ আর সকল অধিকারের মতো তাই নারীর অধিকার বিষয়ে ধীরে ধীরে সচেতন হচ্ছে। তবে তারই পাশাপাশি বিরূদ্ধ-শক্তিও রুখে দাঁড়াচ্ছে বারবার। হরণ করছে নারীর অধিকার। ফতোয়া দিয়ে নৃশংসভাবে নারীহত্যা আজও তাই চলছে।

Continue reading



শাহানাজ জাহান পুশন

প্রিয় বাবু, তোমার কি মনে আছে,এমন একটাও দিন ছিল না যেদিন সারাদিন কি কি ঘটেছে তা তোমাকে না বলা পর্যন্ত আমার শান্তি ছিল না?দিনশেষে আমার সংসার আর অফিসএর যত কাঁদুনি, রাগ, অভিমান শোনার পর তোমার সেই চিরচেনা মিষ্টি হাসি আর সেই ভালবাসার ‘সান্ত্বনা’?

“মন খারাপ করো না জান!কে কি বলে বা করে,তাতে কি বাবু? আমি আছি না?তোমার ভাল লাগে না এমন কিছু তোমাকে কক্ষনও করতে হবে না।তোমার যা ভাল লাগে তাই করবে।দুনিয়ার কোনও কুৎসিত জিনিসকে স্পর্শ করতে দেব না আমার লক্ষ্মী বউ কে!”হুম!….

শুধু তুমি যেদিন মারা গেলে,ঐদিনের কথাগুলি তোমাকে বলা হল না।সব কুৎসিত জিনিস প্রায় একদিনেই আমাকে স্পর্শ করল!শুনলে তোমার মন খারাপ হবে।

সেদিন অফিস ছিল তো, তাই অফিস এর ইউনিফর্ম – সার্ট, প্যান্ট পরা ছিলাম।তুমিতো আর আমাকে বলে মারা যাওনি, যে কাঁদার জন্য উপযোগি জামা-কাপড়পরে থাকব!হাসবে না, আমি মোটেও ঠাট্টা করছি না,…তোমার জন্য যখন আমি এলিয়ে কাঁদছি, তখন শুনলাম লোকে বলাবলি করছে,

“এই মেয়েই কি বউ!একি কেমন মেয়ে সার্ট, প্যান্ট পরা কেন…অ…আচ্ছা আচ্ছা চাকরি করে বুঝি?তাহলে তো রক্ষা, কিন্তু বেচারি অমন করে বেখেয়াল কাঁদছে, লোকে কি বলবে! এই কে আছ ওকে একটা ওড়না পরিয়ে দাও!”আর কোন একজন ভাবী সত্যি সত্যি বড় একটা ওড়না দিয়ে আমার মাথা পেঁচিয়ে দিয়ে গেল! খুব দমবন্ধ লাগছিল,অন্ধকার লাগছিল ওড়নার ভেতরটা।তুমি জান তুমি বেঁচে থাকলে কক্ষনো এমন অন্যায় মেনে নিতাম না, কিন্তু বাবু…তুমি তো নেই!আমার…আমার খুব দুর্বল লাগছিলো আর ভয় হচ্ছিল।মনে হচ্ছেলো গোটা দুনিয়া হা হা করে আমাকে দেখে নিষ্ঠুর ভাবে হাসছে আর বলছে ‘বাছাধন,এতদিন জামাই এর আস্পর্ধাতে তো খুব লাফালাফি করেছ!এইবার দেখ তোমাকে কি ভাবে সায়েস্তা করি!শুরু হল ওই সাদাকালো ওড়না টা দিয়ে।

আমার অদ্ভুত,ক্লান্তিকর, হাস্যকর, বিরক্তিকর, সান্ত্বনা আর ‘স্পেসাল কেয়ার পর্ব (!) শুরু হল।আমি যখন সোজা বাড়ি ফিরে আল্লাহ্‌র কাছে দুহাত তুলেছি আর কেঁদে কেঁদে তার কাছে জবাব চাইছি কেন তোমাকে সে নিয়ে গেল তখন বড় আপা দরজাটা লাগিয়ে দিল।কিন্তু অপেক্ষমাণ জনতার ভিড় কে ঠ্যাকায় বল?

যে মরেছে তার বউ কই? অ…অ্যাঁই বুঝি বউ। সেকি বউ কাঁদে না এ কেমন কথা রে বাবা! এমন মরাবাড়ি তো কোনোদিন দেখিনি!অ…নামাজে বসেছে বুঝি? বাহ বাহ মেয়ে ত খুব শক্ত!কিন্তু এই বে- ওয়াক্তে নামাজ!…তা আমাদের সাথে একটু কথা টথা বলুক!না হলে মেয়েটা তো ইজি হতে পারবে না!আমরা এত দূর দুরান্ত থেকে সান্ত্বনা দিতে এসেছি একটু কথা টথা বলে যাই!

আমি উঠতে চাইনি,কিন্তু আবার ভয় পেলাম। আপা বলল একটু কথা বল ওদের সাথে, সারাক্ষণ নামাজে বসে থাকলে লোকে দেখা করবে কিভাবে? হঠাৎ হাসি পেল।ভাবলাম আমার চেয়েও ওরা তো বেশি দুখি। মরাবাড়ি এসে কোন মজাই পাচ্ছে না।বউ কেঁদে গড়িয়ে বিছানা থেকে পড়ছে না,বিলাপ নেই,আফসোস নেই, অন্যের দুঃখ দেখার আর সেই দুঃখে জ্বালা ধরানো ‘সান্ত্বনা’ বানী দেবার যে বিরাট আনন্দ তা পাছে না,আসলেই কি অন্যায় বলতো!

সুতরাং চোখ মুছে হাসিমুখে বিছানায়ে গিয়ে বসলাম। আমার অফিসিয়াল সান্ত্বনা পর্ব শুরু হল।

প্রথম সান্তনাদাতাঃ (কিছুক্ষণ ইনিয়ে বিনিয়ে কান্না)“সুমন আমাদের যে পরানের ধন ছিল তা আর কি বলব মা! অর মরার কথা শুইনা কালকে অর মা আর কি কানসে আমরা কানসি তার চেয়ে বেশি!”

আমিঃ (হাসিমুখে)“বলেন কি!মার চেয়েও আপনাদের কষ্ট বেশি! কি দুঃখের কথা! বেশি যখন কেঁদেছেন,হুম কষ্ট নিশ্চয় মার চেয়ে বেশি পেয়েছেন! কোন সন্দেহ নাই!”

দ্বিতীয়সান্তনাদাতাঃ “তা মা তুমার কষ্ট ত চক্ষে দেখা যায় না । (হঠাৎ ফিসফিস করে) সরকার থেকে টাকা পয়সা কিছু পাইবা? কত পাইবা মা?”

(আমি হতভম্ব। টাকা! এটা ত মাথায় আসেনি!সাবাস বাঙালি,তোমার জয় হক! মরাবাড়িতে যাদের মাথায় আগে টাকা আসে তাদের উন্নতি কে ঠ্যাকায়!)

তৃতীয় সান্তনাদাতাঃ(উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে) কিভাবে মারা গেল বল ত মা! তোমার চাচা তখন টিভি দেখতেসিল। হঠাৎ আমাকে বলে…(কেমন করে তোমার মৃত্যু সংবাদ পেল তার বিতং বর্ণনা…)

যেই আসে;

“কেমন করে মারা গেল?”

“কিভাবে মারা গেল?”

“কি হয়েছিল আবার একটু বল ত মা!তুমি তখন কই ছিলা? কি করতেছিলা?”

কেন যে ফাইটার প্লেন ক্র্যাশকরে মারা গেলে! নিজেকে তো তোমার বউ না, নিউজপেপার মনে হচ্ছিল।সবাই খবরের জন্য আসে।একসময় বাধ্যও হয়ে বললাম ‘কষ্ট করে নিউজ পেপারটা পড়ে নিয়েন।আমাকে একটু মাফ করে দিবেন দয়া করে।খুব মাথা ধরেছিল।

রাতে বড় আপাকে বললাম,“আপা প্লীজ আমাকে এখান থেকে চুপি চুপি তোমার বাসায়ে নিয়ে যাও।”

আপা বলল “নিতাম আপুনি,কিন্তু সবাই কি বলবে! জামাই মারা যাবার দিন শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে গেলে মন্দ কথা বলবে!আজকের রাতটা থাক,দেখি কালকে কিছু করা যায় নাকি!”

শিলাপুর কষ্ট দেখছিলাম। বেচারি! ভাই মারা যাবার দুঃখ করবে কখন,সবার খাবার আর বিছানার বন্দোবস্ত করতেই প্রাণ যায়। একবার মনে হল যাই,তাকে সাহায্য করি,রান্না চরাই।

হঠাৎ মনে পড়ল এখানে তো তোমার বিছানা,যেখানে দুরাত আগেও তুমি শুয়েছ, বেডশিটে এখনও তোমার গায়ের গন্ধ লেগে আছে,আজ রাতে এখানেই তাহলে ঘুমাই।হয়ত এই নির্বোধ মানুষদের কাছ থেকে রাতটুকু রেহাই পেয়ে তোমাকে অনুভব করব, স্বপ্নে আসবে তুমি একটিবার,শেষবার!

সদ্য বিধবা বউকে একা রাতে শুতে দিতে নেই,এই ওজুহাতে চারজন মোটা মোটা,অপিরিচিতা আত্মীয়া সারারাত সেই বিছানা দখল করে ঘুমাল।গভীর রাতে আমি একা একা ঘুম ভেঙ্গে সেই শীতের রাতে বারান্দায় জেগে বসে রইলাম।

জানি,তুমি অনেক দুঃখ পাচ্ছ আমার কথা শুনে। তবে কি কেউ আমাকে সান্ত্বনা দিতে পারে নি?

পেরেছে,আমার ক্যাডেট কলেজের বন্ধুরা যখন আমার হাত ধরে নিঃশব্দে দাড়িয়ে ছিল,তখন পেরেছে,মা যখন আমাকে জড়িয়ে ধরে “তুমি আমার সুমন” বলে ডুকরে কেঁদেছে…তখন পেরেছে।

আর পেরেছে সেই ভিখারি মহিলাটি। তোমাকে যখন ওরা কবর দিচ্ছিল তখন গোরস্থানের গেটে দাঁড়িয়ে ছিল।চোখের পানি মুছতে মুছতে কাছে এসে বলেছিল, “তুমি বাইচা থাক মা,তুমি সুন্দর কইরা বাইচা থাকলে হে বাইচা থাকব!”

ওর কথা শুনে খুব চিৎকার করে কিছুক্ষণ কেঁদেছিলাম!

I know why the caged bird sings


I know why the caged bird sings

Mashida Rashid

But a caged bird stands on the grave of dreams
his shadow shouts on a nightmare scream
his wings are clipped and his feet are tied
so he opens his throat to sing

– ‘I Know Why The Caged Bird Sings’, a poem by Maya Angelou, poet, author, American civil rights activist, educator, raped at the age of eight.

Bollywood star Aamir Khan’s show Satyamev Jayate broke new ground on what can and can’t be discussed in the public domain in conservative South Asia

When Bollywood star Aamir Khan brought victims of child sexual abuse onto Indian national television in his show Satyamev Jayate it caused a ripple of emotions within families and across boundaries in Indian society. On the show, adults talked about their experiences of being abused in their childhood. Statistics cited in the show indicated that 53 per cent, or 1 in 2 children in India experience some form of child abuse. Helpline experts talked about the need for a comprehensive child sexual abuse act. And in the midst of it was the actor, listening intently, being gentle, empathizing without intruding, humble and shocked and grieved. He helped break the silence.

I watched the show with mixed feelings: I watched in disbelief as people shared what were possibly the most painful experiences of their lives; I was glad that they were able to do it, in a forum which didn’t judge and persecute; I was shaken to the core at the horror that unfolded. And I was angry at our own silence in Bangladesh. Four years ago, I wrote a research paper on child sexual abuse in Bangladesh, and I remember sitting through my interviews with victims of abuse, feeling all these feelings, and guilt, as they struggled to relive their worst nightmares. For some, it was the first time they had talked about it openly. For all, it was a throwback into that time of powerlessness and inability to speak out. For each interview, we sat together for hours three or four times. Once was simply not enough as people choked and cried as they tried to talk about what had happened years back. It started off as just research. It changed the way I perceived safe spaces, family ties, and the need for protection.

It wasn’t news. Child sexual abuse happens. Among the middle classes, there is the tendency to deceive ourselves. We think it happens to ‘them’: people on the streets, people without ‘family values,’ people who are not ‘us’. Some hard facts came to the surface during my research: that 80% of women that I became close enough to ask, had been abused in some form during their childhood; that often the perpetrators were someone they knew and trusted, a family member, help in the house, or a tutor; that when some told their parents, at best, it led to anger and counter accusations, at worst it led to denial; most of them suffered from post traumatic stress disorder at some level; and that there was absolutely no recourse to law, or psycho-social help. The people I interviewed were from middle class families, educated, with good careers. They were people just like us.

What kept on coming back as recurring themes in those harrowing interviews were the feelings of shame and guilt associated with abuse. It was often this guilt that ‘maybe I had done something to ask for it’, that kept victims from speaking out. In some cases, abuse also became a pattern. One woman talked about how, the very next day after she had been molested by an uncle, he had come by, and told her mother he wanted to take her out for ice cream. Even though she was reluctant to go, he had cajoled and convinced the mother, and over ice cream said, ‘I am sorry about what happened, I will never hurt you again.’ She said even though she was shocked and scared, she almost believed him, he sounded so penitent. He raped her again the next week.

Little data exists to quantify the incidence of child sexual abuse inBangladesh. The available information suggests that in a sample survey of child sexual abuse in Bangladesh in 1997, half of the 150 persons interviewed admitted experiencing some form of sexual abuse in childhood. The study findings also show that children as young as five years had been abused. Since that time almost 15 years back, the figures are not really known. National level statistics on this are understandably difficult to come by, because of the stigma associated with discussing this issue, in a country where lesser issues are swept under the rug.

Article 34 of the UN Convention on the Rights of the Child – to which Bangladesh is a signatory – says that the State must do its best to protect from all types of sexual abuse and exploitation. Bangladesh, though, has not been able to fulfill this international commitment. Section 10 of Oppression against Women and Children Act 2000 also defines physical sexual abuse, saying that if a man wrongfully touches a sexual organ or any other part of the body of a woman or child with his organ or by any other object, it will amount to sexual abuse, punishable by imprisonment for up to 10 years and no less than 2 years .

In Bangladesh, as in India, and to be fair, in many other countries of the world, laws exist only on paper. Except for a few non-government organizations  that deal with it, there are no institutional efforts to offer help, recourse to the law, or even raise awareness about child sexual abuse. Many questions need to be asked: do we know that our children are being abused at home? Are we open to the idea of listening to them when they talk about abuse? And if they tell us, what do we do, where do we go? How do we protect them? These are some of the issues that I will be addressing in this blog in the coming weeks.

One of the incidents of sexual abuse that got a lot of publicity recently was the abuse of a student at Viqarunnessa, one of Dhaka’s most prestigious schools, by her teacher. Parimal Joydhor, a 30 year old teacher was accused of raping one of his students at his home when she went for private lessons, and filming it on his cell phone. The victim’s father reported the case to the police, and he was arrested. Here then is the classic case of the abuse of power and trust. Yet there is a small victory. The girl’s father spoke out, and the perpetrator was arrested. He spoke out, risking everything: his daughter’s ‘reputation’, social stigma, media scrutiny. He spoke out.

Pinki Virani in her book Bitter Chocolate, about sexual abuse in India writes, ‘I cannot remember when my sexual abuse began; I cannot recall, no matter how hard I try, whether my recollection of the first time it happened is actually the first time it happened. I know this is not important, but it destroys me: where was everybody when it was happening; damn them, shouldn’t somebody from the family have been there to stop it? So much power abused, so much trust betrayed, where are the parents of these children? The politics of domination, the vulnerability of a woman, the girl’s very gender being a liability to herself as a human being.’

Children who suffer sexual abuse are abused twice: once during the actual event, and all through their lives because of the taboo and the shroud of silence imposed on them because of societal norms, unwillingness to talk about the issue, and the most shameful and damaging of all, the silence of the family. Aamir Khan used his celebrity to draw attention to this issue that is hardly seen or heard. Maybe it is time, for us, to break the silence.


Mashida Rashid is a public health specialist, and a campaigner for women’s rights.